Android সংস্করণ
Android ৬.০ বা তার উপরে হলেই চলবে। বেশিরভাগ ফোন যেগুলো গত কয়েক বছরে কেনা, সেগুলোতে সমস্যা হওয়ার কথা না।
qb77 অ্যাপ দিয়ে Aviator, লাইভ ক্যাশ অর ক্র্যাশ, মিস্টিক বুক স্লট সহ পুরো লবিটা তোমার হাতের মুঠোয়। bKash বা Nagad দিয়ে জমা দাও সরাসরি অ্যাপ থেকেই — আলাদা করে কিছু খোলার দরকার নেই, তোমার এলাকার আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য।
আমরা চাই তুমি নিশ্চিন্তে অ্যাপ ব্যবহার করো। তাই কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা রেখেছি যেগুলো তোমার অ্যাকাউন্ট আর তথ্য সুরক্ষিত রাখতে কাজ করে।
আমরা কোনো তৃতীয় পক্ষের স্টোরে অ্যাপ দিই না। qb77 থেকেই APK নামাও — এতে ভুয়া বা পরিবর্তিত ফাইলের ঝুঁকি থাকে না। সবসময় আমাদের সাইট থেকেই নামানো উচিত।
APK ফাইলটি কোড সাইনড, মানে ইনস্টলের সময় ফোন নিজেই যাচাই করে নেয় ফাইলটা আসল কি না। কেউ ফাইল বদলালে ফোন সতর্কতা দেখাবে।
অ্যাপ থেকে সার্ভারে যত তথ্য যায় সবই SSL দিয়ে এনক্রিপ্ট করা। তোমার bKash বা Nagad নম্বর, পাসওয়ার্ড — কিছুই প্লেইন টেক্সটে যায় না।
ফোন হারালে বা বদলালে চিন্তা নেই। নতুন ফোনে অ্যাপ নামিয়ে একই নম্বর দিয়ে OTP নিয়ে ঢোকো — পুরো অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্সসহ ফিরে পাবে।
কিছুক্ষণ অ্যাপ ব্যবহার না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগআউট হয়ে যায়। অন্য কেউ তোমার ফোন ধরলেও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না — আবার আঙুলের ছাপ বা পাসওয়ার্ড দিতে হবে।
নতুন সংস্করণ বের হলে অ্যাপ তোমাকে জানাবে। আপডেট করলে নিরাপত্তা প্যাচ আর নতুন ফিচার দুটোই পাবে। আপডেট না করলেও পুরনো ভার্সন কাজ করবে, তবে আপডেট রাখা ভালো।
অ্যাপ ইনস্টল বা চালানোয় কোনো সমস্যা হলে নিচের যেকোনো পথে আমাদের জানাও। আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব সমাধান দিতে।
বাংলাদেশে যেসব ফোন বেশি চলে — Samsung, Xiaomi, Realme, Oppo — প্রায় সবগুলোতেই অ্যাপ ঠিকমতো কাজ করে। নিচের তালিকায় ন্যূনতম যা দরকার তা দেখো।
Android ৬.০ বা তার উপরে হলেই চলবে। বেশিরভাগ ফোন যেগুলো গত কয়েক বছরে কেনা, সেগুলোতে সমস্যা হওয়ার কথা না।
iOS ১৩ বা তার পরে। iPhone 7 থেকে শুরু করে পরের সব মডেলে ওয়েব শর্টকাট ভালোভাবে কাজ করে।
কমপক্ষে ২ জিবি র্যাম থাকলে লাইভ টেবিল আর স্লট দুটোই মসৃণভাবে লোড হয়। ৩ জিবি বা বেশি থাকলে আরো ভালো।
দুটোতেই পুরো লবি পাবে, কিন্তু কিছু জায়গায় অ্যাপ এগিয়ে। নিচে মূল পার্থক্যগুলো দেখো।
ব্রাউজারে প্রতিবার সাইট খুলে পাসওয়ার্ড দিতে হয়। অ্যাপে আঙুলের ছাপ দিলেই কাজ — সময় অনেক কম লাগে। বিশেষ করে যারা দিনে কয়েকবার ঢোকো তাদের জন্য বড় সুবিধা।
ব্রাউজারে ট্যাব বন্ধ করলে কোনো খবর পাবে না। অ্যাপ বন্ধ থাকলেও পুশ নোটিফিকেশন আসে — IPL ম্যাচ শুরু বা নতুন প্রমোর আপডেট মিস হয় না।
অ্যাপে অনেক রিসোর্স আগে থেকেই ফোনে থাকে, তাই পেজ লোড দ্রুত হয়। ব্রাউজারে প্রতিবার সবকিছু সার্ভার থেকে আনতে হয় — ধীর নেটে তফাৎটা বোঝা যায়।
ব্রাউজারে ব্যাকগ্রাউন্ড ট্যাব, অ্যাড ব্লকার এসব চলতে থাকে। অ্যাপ শুধু যেটুকু দরকার সেটুকুই চালায় বলে ব্যাটারি তুলনামূলক কম খায়।
লাইভ ক্যাসিনো টেবিলে ব্রাউজার মাঝে মাঝে রিফ্রেশ হয়ে যেতে পারে। অ্যাপে সেশন স্থির থাকে — ডিলার্স চয়েস লাইভ বা বাস্টার ব্ল্যাকজ্যাক খেলার সময় কানেকশন ড্রপের ঝুঁকি কম।
ব্রাউজারে জমা পেজে যেতে কয়েকটা ক্লিক দরকার। অ্যাপে হোম স্ক্রিনেই জমা শর্টকাট — Rocket বা bKash বেছে নিয়ে এক ট্যাপেই জমা পেজে পৌঁছে যাও।
অ্যাপটা চালু করলেই স্লট, লাইভ টেবিল আর স্পোর্টসবুক — সব এক জায়গায়। ধরো, ঢাকায় বসে IPL-এর লাইভ ম্যাচ দেখছো, পাশাপাশি বেটস্লিপ সাজাচ্ছো। সুইচ করতে চাও? একটা ট্যাপেই ডিলার্স চয়েস লাইভ টেবিলে চলে যাও। পুশ নোটিফিকেশন চালু থাকলে নতুন প্রমো বা ম্যাচ আপডেট মিস হবে না। জমা করতে bKash, Nagad বা Rocket — যেটায় তোমার ব্যালেন্স আছে সেটাতেই ট্যাপ করো, অ্যাপের ভেতরেই কাজ
শেষ। আঙুলের ছাপ দিয়ে লগইন হলে বারবার পাসওয়ার্ড টাইপ করার ঝামেলা নেই। ই-স্পোর্টস বেট বা ক্লাসিক ভিডিও পোকার — যে ক্যাটাগরিতেই যাও, অ্যাপ আর ব্রাউজার ভার্সনে লবি একই থাকে। ডার্ক মোড চালু করলে রাতে চোখে আরাম, ব্যাটারিও কম খায়। অফলাইনেও লবি প্রিভিউ দেখতে পারবে — নেট এলেই সরাসরি ঢুকে পড়ো।
অ্যাপ মানে শুধু ওয়েবসাইটের ছোট সংস্করণ না — এখানে কিছু বাড়তি সুবিধা আছে যেগুলো ব্রাউজারে পাবে না।
Android ফোনে APK ফাইল দিয়ে অ্যাপ বসানো যায়, iOS-এ সরাসরি ওয়েব থেকে শর্টকাট যোগ করো। পুরো প্রক্রিয়ায় দুই মিনিটও লাগে না। নিচের ধাপগুলো দেখো — প্রথমবার করলেও সমস্যা হবে না। APK সাইজ ছোট বলে মোবাইল ডাটাতেও নামিয়ে নেওয়া যায় ঝামেলা ছাড়াই। ইনস্টলের পর লগইন করলেই পুরো লবি সামনে — স্লট থেকে লাইভ ক্যাসিনো, স্পোর্টসবুক পর্যন্ত সব।
অ্যাপ ইনস্টল বা ব্যবহার নিয়ে যেসব প্রশ্ন আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি আসে সেগুলোর উত্তর এখানে।